ভারত নিউজ , অনলাইন নিউজ, সত্য ঘটনা দেশবাসীকে তুলে ধরে। রেজিস্ট্রেশন নম্বর - WB12D0006173 ( MSME , GOVT. OF INDIA ), MEMBER OF ALL INDIA MEDIA ASSOCIATION ( মেম্বারশিপ নম্বর - 39567 ) .
Sunday, 12 April 2020
লকডাউনে পাঁশকুড়ায় অসহায় মানুষের পাশে মহৎপুরের মুন্সী দম্পতি ।
ভারত নিউজ , পাঁশকুড়া : লকডাউনে পাঁশকুড়ায় অসহায় মানুষের পাশে মহৎপুর গ্রামের মুন্সী দম্পতি । পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া ব্লকের এক নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা শ্রীমতি সুনীতা মুন্সি ও ব্লক তৃণমূল এর কার্যকরী সভাপতি গুরুপদ মুন্সি লকডাউনের পরিস্থিতিতে দুঃস্থ মানুষদের পাশে এসে দাঁড়ান এবং সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন । চাল, ডাল ,আলু , পেঁয়াজ, ভোজ্যতেল ,লবন, সবজি এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার প্রভৃতি বিতরণ করেন। কয়েকদিন ধরে বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষদের তাঁরা বিতরণ করেন । নস্করদীঘি , জানাবাড় ,শাঁখটিকরি ও মহৎপুর গ্রাম সহ বিভিন্ন এলাকায় খাদ্যসামগ্রী বিতরন করেন । প্রায় পাঁচশো পরিবারকে তাঁরা সহায়তা করেন । গুরুপদবাবুর রাজনীতিতে আসা ছাত্রজীবনে কলেজে পড়ার সময় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের হাত ধরে । তাঁর স্ত্রীর রাজনীতিতে হাতেখড়ি স্বামীর হাত ধরে । মুন্সী দম্পতি এখন পুরোপুরি রাজনীতি ও জনসেবার কাজে যুক্ত । গুরুপদবাবু বলেন বিগত দিনেও মানুষের পাশে ছিলাম এখনও আছি এবং ভবিষ্যতেও নিজের সাধ্যমত মানুষের পাশে দাঁড়াতে দ্বিধা করবোনা।
Saturday, 11 April 2020
কুটির শিল্পের মতো তৈরি হচ্ছে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ।
ভারত নিউজ : করোনা অকস্মাৎ বাড়িয়ে দিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের বিপুল চাহিদা । কিন্তু কোথায় পাওয়া যাবে এতো হ্যান্ডসানিটাইজার । চাহিদা বিপুল যোগান সীমিত । তার উপরে লকডাউন যার ফলে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে । আবার করোনা প্রতিরোধ করতে গেলে বারংবার হাত স্যানিটাইজড করাও আবশ্যক । কিন্তু কোথায় পাওয়া যাবে এত হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিশেষত ব্র্যান্ডেড কোম্পানির হ্যান্ড স্যানিটাইজার । যোগান অব্যাহত রাখতে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা কুটির শিল্পে উৎপাদিত হচ্ছে হ্যান্ড স্যানিটাইজার । কিন্তু আদৌ কি এতে যথাযথ হাত স্যানিটাইজড হচ্ছে ? এর তো কোনও গুনমান পরীক্ষা করে বাজারে ছাড়া হচ্ছেনা । করোনা ভাইরাসতো কোনও ছেলেখেলার জিনিস নয় । বাজারে যদি চাহিদামত হ্যান্ড স্যানিটাইজারের যোগান না থাকে তাহলে তার বিকল্প হিসেবে গুনমান সম্পন্ন সাবান ব্যবহারের কথা বলুক স্বাস্থ্য দপ্তর । কিন্তু অপরীক্ষিত দ্রব্য যেন করোনা প্রতিরোধের উপকরণ হিসেবে ব্যবহার না হয় । চিত্র - প্রতীকি ।
Friday, 10 April 2020
লকডাউনে সমস্যায় কীর্তন শিল্পীরা ।
ভারত নিউজ : লকডাউনে সমস্যায় বাংলার কীর্তন শিল্পীরা । বাংলার বহু নারী-পুরুষ এই পেশার সাথে যুক্ত আছেন । তারা কিছুটা পেশাগতভাবে এবং বেশিরভাগটাই নেশা বা ভালোবাসার টানে আসেন । লকডাউন ঘোষিত হওয়ার কিছুদিন আগে থেকেই বেশি সংখ্যক মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয় । তখন থেকেই ধর্মীয় কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটতে থাকে । ফলে কীর্তনের আসর বসাও বন্ধ হতে শুরু করে । গ্রামবাংলায় কীর্তন খুবই জনপ্রিয় । পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় মানুষের মনের সাথে কীর্তনের একটা অদ্ভুত টান রয়েছে । কীর্তনের আসর কীর্তনীয়া ও কীর্তন শ্রোতাদের মধ্যে এক নিবিড় মেলবন্ধন ঘটায় । বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে গ্রামবাংলায় প্রায়শই কীর্তনের আসর বসে । কিন্তু অনির্দিষ্টকালের লকডাউন তাদের পেশা , তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে দিয়েছে । নতুন বায়না আশাতো দূরঅস্ত পুরাতন বায়নাগুলিও এই মুহূর্তে স্থগিত হয়ে গেছে । লকডাউন উঠে গেলেও গ্রাম বাংলার অর্থনীতি যেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাতে করে আবার কবে কীর্তনের আসর বসানোর মতো পরিস্থিতি আসবে কীর্তনীয়ারা সেটা ভেবেই কুল পায়না । দিনরাত ভগবানের নাম জপই তাদের সাধ্যসাধনা । সেই ভগবান কবে আবার তাদের প্রতি সদয় হবে ও মুখ তুলে চাইবে তা কেউ জানে না । পশ্চিমবঙ্গের কয়েক লক্ষ পুরুষ ও মহিলা কীর্তনের কাজের সাথে যুক্ত । গ্রাম বাংলার কীর্তনের শ্রোতারাও জানেনা কবে আবার তাদের গ্রামে কীর্তনের আসর বসবে ।
Thursday, 9 April 2020
ইএমআই মুকুব ঘোষণায় অনেকেই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন ।
ভারত নিউজ - করোনা সংকট থেকেই সুরাহা দেওয়ার জন্য ঋণগ্রহীতাদের তিনমাস ইএমআই দিতে হবে না বলে কেন্দ্র সরকার ঘোষণা করেছিল কিন্তু এই ঘোষণাতেই ঋণগ্রহীতারা আরো সিঁদুরে মেঘ দেখছেন কারণ তিন মাসের জন্য মুকুব করা হয়নি বলা হয়েছে তিন মাস বাদে দিলে চলবে কিন্তু আদতে এতে অনেক বেশি চাপ পড়বে ঋণগ্রহীতাদের কাছে যেটা মাসে মাসে তাদের দিতে হতো তিন মাস বাদে সেটা গিয়ে অনেক বেশি পরিমাণে দাঁড়াবে তাই এক্ষেত্রে সরকার দুটি অপশন রাখতে পারতো কারণ সকলে তো বলেনি তারা ইএমআই দিতে পারবেনা । তাহলে যে করোনা সঙ্কটের সময়ও ইএমআই দিতে সক্ষম সে কেন তিন মাসের বোঝা একসাথে নিতে যাবে এটা খুব অকাট্য যুক্তি । সে ক্ষেত্রে যারা আবেদন করতো আমরা ইএমআই দিতে পারছিনা শুধু তাদের ক্ষেত্রেই ওটা প্রযোজ্য হলেই হতো ।এছাড়াও রয়েছে আরো সমস্যা , তিন মাস বাদে একসাথে দিতে গেলে সুদের বোঝা কমানোর কথা বলা হয়নি । এছাড়া ,তিন মাসের ইএমআই মুকুব এর জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হবে ঋণগ্রহীতাকে যেটি বেশ জটিল পদ্ধতি । সেক্ষেত্রে বাড়িতে কম্পিউটার নেই যার বা অনলাইনের কাজে অভ্যস্ত নয় যে তাকে সাইবার কাফেতে গিয়ে করতে হবে । লকডাউনের কারণে এই মুহূর্তে সাইবার ক্যাফেও বন্ধ । তাই সরকারের এই ইএমআই তিনমাস মুকুবের ঘোষণায় কারোরই বিশেষ আগ্রহ বা উৎসাহ নেই ।
Tuesday, 7 April 2020
নেটবল অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিলি ।
ভারত নিউজ : পূর্ব মেদিনীপুর নেটবল অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে আজ রামতারক , চাঠরা প্রভৃতি এলাকায় নাগরিকদের মধ্যে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিলি করা হয় । উল্লেখ্য , তমলুক সংলগ্ন বল্লুক গ্রামেই কোভিড - ১৯ রোগী পাওয়া গিয়েছে এবং এরপর থেকে ওই গ্রামের বহু বাসিন্দাকে কোয়ারান্টাইনে রাখা হয়েছে । ফলে এই সমস্ত এলাকার নাগরিকদের মধ্যে একটা আতঙ্ক আছেই । এই কারণে সংগঠনের পক্ষ থেকে এলাকার নাগরিকদের সচেতন করা এবং মাস্ক , হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিলি করার উদ্যোগ নেওয়া হয় । সেই সঙ্গে জমায়েত নাকরে কিভাবে দাঁড়াতে হবে সে ব্যাপারেও সচেতন করা হয় । সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয় দেশের এই মহামারীর সময়ে আমাদের একটি নৈতিক কর্তব্যবোধ থেকেই যায় । সেই কর্তব্যবোধ এবং মানবিকতাবোধ থেকেই আমরা আজ এই উদ্যোগ নিয়েছিলাম ।
Monday, 6 April 2020
পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণীর মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক ভারত নিউজের পাতায় ।
Monday, 30 March 2020
করোনা সচেতনতার মধ্যে নিয়ে আসা হোক যৌনকর্মী ও নিষিদ্ধ পল্লিগুলিকে ।
ভারত নিউজ : করোনা সচেতনতার মধ্যে নিয়ে আসা হোক বিভিন্ন শহরের যৌনকর্মী ও নিষিদ্ধ পল্লিগুলিকে । তারা সমাজে অপাংক্তেয় এবং তাদের পল্লীগুলিও গড়ে ওঠে সমাজের এক প্রান্তে । তারা যেন এক সমাজ বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মানুষ । করোনা এমন এক ভাইরাস ঘটিত রোগ যাতে সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষকে সচেতন থাকতে হবে এবং সচেতন করতে হবে । যেহেতু এই পল্লীগুলি আধুনিক সভ্যতার বাইরে তাই সচেতনতার ছোঁয়া সব সময় তাদের কাছ পর্যন্ত যায়না । কিন্তু সমস্যাটা হলো এই পল্লীগুলোতে বহু মেয়ে এক জায়গায় গাদাগাদি করে থাকে এবং এখানে বাইরের জগতের বহু মানুষের আনাগোনা হয়ে থাকে । তাই সমাজকে , দেশকে এবং এই মেয়েগুলিকে এবং বহু মানুষকে বাঁচাতে অবিলম্বে এই পল্লীগুলোতে সচেতনতা গড়ে তোলা হোক এবং তাদের মাস্ক , গ্লাভস প্রভৃতি বিতরণ করা হোক । সেইসঙ্গে এই দুর্দিনে সরকারি সহায়তা তাদের কাছ পর্যন্ত যাতে পৌঁছয় এটা নিশ্চিত করতে হবে । এই ভাইরাস ঘটিত রোগ থেকে দেশকে বাঁচাতে গেলে দেশের অভিজাত , সাধারণ , ব্রাত্য সমস্ত মানুষকে সঙ্গে নিয়ে চলতে হবে । এইচআইভি সংক্রমণ রোধে যে সামাজিক সংগঠনগুলো যুক্ত রয়েছে তারাই করোনা সচেতনতায় এই পল্লীগুলোতে নিযুক্ত হোক ।
Sunday, 29 March 2020
কোভিড - 19 অবিভক্ত মেদিনীপুরের সর্বশেষ তথ্য ও হেল্পলাইন ।
COVID - 19 ( অবিভক্ত মেদিনীপুরের জেলাভিত্তিক তথ্য )
অবিভক্ত মেদিনীপুরে পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে কোনও রেকর্ড এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি , পূর্ব মেদিনীপুরের তথ্য নীচে দেওয়া হল ।
PURBA MEDINIPUR
CONFIRMED
2
ACTIVE
2
RECOVERED
0
DECEASED
0
ঝাড়গ্রাম , পূর্ব মেদিনীপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুরের COVID - 19 সংক্রান্ত হেল্পলাইন ।
JHARGRAM
Police Helpline
03221-255208 / 8167336699 (Women)
Dr Prakash Mridha, CMOH
8250995306
Dr Santanu Sahu, Dy. CMOH-I
9434385559
Dr Subhod Kr. Mondal, Dy. CMOH-II
7076077011
PURBA MEDINIPUR
Police Helpline
03228-269797 / 9083269752
Deputy CMOH-I
03228-266595
Deputy CMOH-II
03228-266489
Deputy CMOH-III
03228-266096
PASCHIM MEDINIPUR
Police Helpline
8001007868
Dr. Jaydev Barman, Dy. CMOH II as Nodal Officer
8001937278
DR. Kishalay Jana, District Epidemiologist
9153572714
Sujit Mishra, District Data Manager
9734207482
Saturday, 28 March 2020
ভারত নিউজের পক্ষ থেকে সকলকে আবার একবার আবেদন ।
ভারত নিউজ এর পক্ষ থেকে সকলকে আবার একবার আবেদন ।
ভারত নিউজ এর পক্ষ থেকে সকলকে আবার একবার আবেদন করোনা পরিস্থিতির মোকাবেলা করার জন্য লকডাউন আইন আপনারা যথাযথভাবে মেনে চলুন । ভারতবর্ষের মতো দেশে করোনা যদি স্টেজ থ্রিতে চলে যায় তখন তার সংক্রমণ হবে ভয়াবহ কারণ এখানে জনঘনত্ব অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি এবং তখন পরিস্থিতি সামলানো এক প্রকার অসম্ভব হয়ে যাবে । আপনারা বাড়ির বাইরে যাবেন না অকারনে । অত্যাবশ্যক পণ্য কেনার জন্য বাড়ির একজন বাজারে যান এবং যতটুকু সময় থাকা দরকার ততটুকু সময় থাকুন । এই লড়াই আপনি লড়ছেন আপনার নিজের জন্য , পরিবারের জন্য , এবং দেশের জন্য তাই এই লড়াইতে জয়ী হওয়ার জন্য সকলে মিলে শপথ করুন আপনারা লকডাউন আইন আন্তরিকভাবে মেনে চলবেন ।না চললে করোনা ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির দিকে এগিয়ে যাবে । সরকার কিন্তু তখন হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না সেক্ষেত্রে আধাসামরিক বাহিনীকে রাস্তায় নামাবে । আধা সামরিক বাহিনী কিন্তু আরো কঠোরভাবে দমন করতে পারে । কিন্তু আমরা চেতনা সম্পন্ন মানুষ সেই পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাব কেন , আসুন আমরা সবাই যাতে দায়িত্ব সহকারে লকডাউন আইন পালন করে করোনা সংক্রমণ রোধ করতে পারি সেজন্য সচেষ্ট হই ।
লকডাউনের সময় আপনার পাশে অ্যাপোলো ফার্মেসী । দেবে ভিডিও কলিং এ চিকিৎসকের পরামর্শ ও ওষুধের ফ্রি হোম ডেলিভারি ।
ভারত নিউজ : লকডাউন । ওষুধের প্রয়োজন । বাইরে যেতে দ্বিধা বোধ করছেন । শরীরটা অসুস্থ বোধ করছেন । ডাক্তারের কাছে গেলে ভালো হত । কিন্তু যাবেন কিভাবে ? গাড়িতো বন্ধ । আপনার সাহায্যের জন্য এগিয়ে এলো অ্যাপোলো ফার্মেসী । অ্যাপোলো ফার্মেসী আপনার বাড়িতে পৌঁছে দেবে ফ্রি হোম ডেলিভারি । আপনাকে মোবাইলে একটি অ্যাপ ডাউনলোড করে নিতে হবে । অ্যাপটির নাম অ্যাপোলো 24 ×7 । এই অ্যাপের মাধ্যমে অ্যাপোলোর ডাক্তারদের সঙ্গে ফ্রিতে ভিডিও কলিং করে চিকিৎসা সংক্রান্ত পরামর্শ নিতে পারবেন । এছাড়া, ঐ অ্যাপের মাধ্যমে ওষুধের অর্ডারও দিতে পারবেন । ওষুধ পৌঁছে যাবে আপনার বাড়িতে ।
নেতাজী অর্ন্তধান নিয়ে ভারত নিউজের নিজস্ব বিশ্লেষণ ।
ভারত নিউজ : নেতাজীর মৃত্যু নিয়ে অফিসিয়ালি বলা হয় তিনি তাইহোকু বিমান দুর্ঘটনায় মারা গেছেন কিন্তু যদি নিছকই দুর্ঘটনা হয় তাহলে সেটা নিয়ে এতো কেনো গোপনীয়তা বছরের পর বছর । এরকম তো কতো বিমান দুর্ঘটনাই ঘটে থাকে । নেতাজীর মৃত্যু সংক্রান্ত ফাইলগুলো উন্মুক্ত করে দিলেই সব জল্পনার অবসান হয়ে যাবে । সেইসঙ্গে একটা ডেথ সার্টিফিকেট ইস্যু করে দিলেই হয় । একটা খুব কমন সেন্স কি বলে দুর্ঘটনায় মৃত্যু নিয়ে কোনও গোপনীয়তা থাকতে পারে কি ?
আরেকটা তত্ত্ব স্বাধীনতার পর তিনি ঘৃণায় দেশে ফিরতে চাননি । তিনি তো এই অভাগা দেশটাকে গড়তে চেয়েছিলেন তাহলে তিনি দেশে না ফিরে দেশটাকে গড়বেন কি করে ? তিনি তো দেশের সমস্যার মুখোমুখি হতে চেয়েছিলেন তাই নিজের সবকিছু ত্যাগ করেছিলেন । আর সেটাই যদি হয় তাহলে এতো গোপনীয়তা কেন নেতাজী সংক্রান্ত ফাইলগুলো প্রকাশ করতে ? ফাইল প্রকাশ করে জানিয়ে দিলেই হয় তিনি ঘৃণায় আর দেশে ফিরতে চাননি । জল্পনারও অবসান হয় ।
যে গুমনামি বাবার গল্প বছরের পর বছর শোনানো হয়, ভেবে দেখুন তো যার পদচারণায় আসমুদ্র হিমাচল ব্রিটিশ সাম্রাজ্য কেঁপে ওঠে সেই সুভাষচন্দ্র নিজেকে বাঁচাতে আত্মগোপন করে থাকবেন, এটা কি তাঁর চরিত্রের সঙ্গে মানানসই গল্প ? হিটলার পর্যন্ত তাঁকে নিয়ে বিস্মিত হয়েছিলেন, সেই নেতাজী একটা চুক্তির ভয়ে পালিয়ে বেড়াবে এটা কি হতে পারে ? গুমনামি বাবার গল্পটা মূল প্রশ্ন থেকে দৃষ্টি ঘোরানোর জন্য বানানো হয়েছে ।
নেতাজী যদি আত্মগোপন করে থাকতেন তাহলে তিনি তো গোপন জায়গা থেকেই ভারতবাসীকে বার্তা দিতে পারতেন । তাহলে, ধরে নেওয়া যেতে পারে তাঁকে বন্দী করে রাখা হয়েছিল যাতে কোনওভাবে প্রকাশ্যে আসতে না পারেন এবং বার্তা না পাঠাতে পারেন ।
যদি এরকম কোনও চুক্তি হয়ে থাকে নেতাজী প্রকাশ্যে এলেই তাঁকে ভারত সরকার যুদ্ধবন্দি হিসেবে ব্রিটেনের হাতে তুলে দিতে বাধ্য থাকবে, বাস্তবে পারতোনা । স্বাধীন ভারত সরকার পারতোনা । জনমতের চাপে , জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদের কাছে ভারত ও ব্রিটিশ সরকার পারতোনা একটি ষড়যন্ত্রমূলক চুক্তিতে তাঁকে আটক করতে । কারণ, নেতাজী ছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামী । তিনি মুক্ত অবস্হায় কোথাও অবস্হান করলে নিশ্চিতভাবেই দেশবাসীকে বার্তা দিতেন । চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও ফিরে আসতে পারতেন । যদি নেতাজী গোপন জায়গা থেকেও ভারতবাসীকে বার্তা পাঠাতেন আসমুদ্র হিমাচল ভারতবাসী রাস্তায় নেমে যেত ।
রেনকোজি মন্দিরে রাখা নেতাজীর চিতাভস্মের ডিএনএ টেস্টের দাবি বারবার তোলা হলেও করা হয়নি একটাই কারণে তাহলে প্রমাণিত হয়ে যাবে ওটা নেতাজীর চিতাভস্ম নয় ।
নেতাজী থাকলে কিছুজন কোনদিনই ভারতের ক্ষমতালাভ করতে পারতেননা । স্বাধীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী হতেন নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু । অপরদিকে ব্রিটিশরা চেয়েছিল ভারত ছাড়ার আগে তাকে দুর্বল করে দেওয়া যাতে ভারত কোনদিনই বিশ্বের টপ টেন কান্ট্রিতে যেতে না পারে । সুভাষ থাকলে একদিন ভারত ব্রিটেনের ওপর দাদাগিরি করবে । বিশ্বের আরো কয়েকটি দেশ ভেবেছিল ভারতের মতো বৃহৎ দেশ সুভাষচেন্দ্রর নেতৃত্বে থাকলে একদিন আমাদের ওপরে উঠে বশ হয়ে যাবে কারণ ভারতের আছে বিপুল সম্পদ , মেধা , দরকার একজন যোগ্য নেতা । সুভাষচন্দ্রের নেতৃত্বে ভারত অপ্রতিরোধ্য হয়ে যাওয়ার আগে তাকে অকেজো করে দাও । সুতরাং, বোঝাই যাচ্ছে সুভাষ থাকলে কাদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হতো, সুভাষকে সরিয়ে দিলে কাদের লাভ । হয়তো, কোনও কোনও দেশ সুভাষকে সহায়তা করতো কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটেনের জয়লাভের ফলে এবং অন্যান্য শক্তিধর রাষ্ট্রের চোখরাঙানিতে কেউ সুভাষকে সহায়তা করার সাহস পাননি ।
আগুন আর শত্রুর শেষ রাখতে নেই । সুভাষ যাদের স্বার্থের প্রতিবন্ধক তারা সুভাষকে মুক্ত অবস্হায় রাখবেনা এটা একটু তলিয়ে ভাবলেই বোঝা যাবে, এরজন্য তথ্যপ্রমাণ দরকার নেই । তাই, গুমনামি বাবা, অমুক সাধু, তমুক সাধু এগুলো আইওয়াশ করা গল্প ছাড়া কিছু নয় । ব্রিটিশের নজরবন্দি থেকে পালানো আর সিংহের গুহা থেকে পালানো এক । সেটা আর কেউ না জানুক ব্রিটেন জানে । সুভাষচন্দ্রের জনভিত্তি কতটা শক্তিশালী সেটা হরিপুরা ও ত্রিপুরি কংগ্রেসে বোঝা গিয়েছিল । এইরকম একজন ব্যাক্তিকে গোপন চুক্তি করে আড়াল করে দেওয়া আর তিনি সাধু সেজে তপস্যা করবেন ফুৎকারে উড়িয়ে দিন এইসব আজগুবি গল্প । ঐ গোপন চুক্তিকে তোয়াক্কা না করেই সশরীরে হাজির হতেন ভারতের বুকে । ব্রিটেনের ক্ষমতা নেই চোরের মতো রাতের অন্ধকারে করা চুক্তি দেখিয়ে সুভাষকে তাদের হাতে তুলে দিতে হবে এরকম দাবি করা ।
সুভাষের পরিবারবর্গকে সেরকমভাবে কোনদিন দাবি করতে দেখা যায়নি এই অর্ন্তধান রহস্য উদঘাটন করার জন্য । কেন সেটা জানা নেই ।
তাঁকে যে অন্য কোনও দেশের কারাগারে গোপনে বন্দী করা হয়েছিল এব্যাপারে কোনও সংশয় নেই । স্বাধীন ভারতেও একাধিক হাই প্রোফাইল নেতার মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন আছে । শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে যে নার্স ইঞ্জেকশন দেয় তাকে গায়েব করে দেওয়া হয় । সঞ্জয় গান্ধীর ব্যাক্তিগত বিমান দুর্ঘটনা বিতর্কিত । লাল বাহাদুর শাস্ত্রী তাসখন্দে গিয়ে মাংস খেতে গিয়ে গলায় হাড় আটকে মারা যান, এরকম মৃত্যু আদৌ পসিবিল কিনা প্রশ্ন আছে ।
নেতাজী সংক্রান্ত ফাইলগুলো এতদিন প্রকাশ না করার কারণ বিদেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তি । কিন্তু চুক্তির একটা মেয়াদ থাকে । সেই মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও আবার বৃদ্ধি করা হয়েছে কারণ বিদেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক খারাপ হবে এই যুক্তিতে । তাহলে, এটা নিয়ে আর কোনও সংশয় থাকার কথা নয় যে বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজীর মৃত্যু আষাঢ়ে গল্প ছাড়া কিছু নয় । শুধু যেটা এখনও প্রশ্ন তাহলে তাঁকে কোথায় বন্দী করে রাখা হয়েছিল , তাঁর শেষ পরিণতি কি , সেটা জানা যেতো যদি ফাইলগুলো প্রকাশ্যে আনা যেতো কিন্তু বারবার চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও বাড়ানো হচ্ছে । কতটা ষড়যন্ত্র হয়েছিল সেটা অনুমেয় ।
Thursday, 26 March 2020
করোনা কুকীর্তির স্রষ্টা চীনা কমিউনিস্ট সরকার তাই কি এদেশের কমিউনিস্টরা নীরব ?
ভারত নিউজ : করোনা ভাইরাস সংক্রমণ এই কুকীর্তির স্রষ্টা পুরোপুরি চীনের কমিউনিস্ট সরকার । এর সাথে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ বা নরেন্দ্র মোদির ' অসহিষ্ণু ' সরকারের কোন দায় নেই । ভারতের কমিউনিস্ট দলগুলি কথায় কথায় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ নিপাত যাক এই ধ্বনি তোলে আর মোদী সরকার তো তাদের কাছে প্রতিমুহূর্তে অসহিষ্ণু সরকার । অথচ চীনের করোনা কুকীর্তিতে বিশ্ব আজ বিপন্ন , অর্থনীতি ধ্বংসের মুখে , বিপন্ন মানবসমাজ , মানুষ রুজি-রোজগার হারাচ্ছে , খাদ্যের সন্ধানে রাস্তাঘাটে বেরোলেই পুলিশের লাঠিচার্জের মুখে মানুষ - সমস্ত কিছুর মূলে চীনের কমিউনিস্ট সরকার অথচ আশ্চর্যজনক ভাবে এদেশের কমিউনিস্ট দলগুলি এখনও পর্যন্ত চীনের বিরুদ্ধে একটা বাক্যও খরচ করেনি , অদ্ভুতভাবে তারা নীরব । অর্থাৎ সারাবিশ্বে কমিউনিস্ট দলগুলির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখাই তাদের একমাত্র দায়িত্ব মানুষের প্রতি কোন দায়িত্ব তাদের নেই । যে এস ইউ সি আই কমিউনিস্ট পার্টি সবসময় আদর্শের কথা বলে , মানুষের কথা বলে সেই দলটিও মানুষের মৃত্যুর মিছিল দেখেও চীনের বিরুদ্ধে নীরব । এখন প্রমাণ হয়ে গিয়েছে চিনও একটি সাম্রাজ্যবাদী দেশ । সারা বিশ্বকে দুর্বল করে চীনের আধিপত্য বিস্তার করতে তারা এই করোনা ভাইরাসের খেলাটি খেলেছে আর ভারতের কমিউনিস্ট দলগুলোর কাছে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ নিপাত যাক কিন্তু চীনা সাম্রাজ্যবাদ এগিয়ে যাক এটাই তাদের নীতি । ভারতের কমিউনিস্ট দলগুলি প্রতিমাসে আমেরিকার প্রেসিডেন্টের কুশপুতুল পোড়ায় , ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কুশপুতুল পোড়ায় কিন্তু একবারও কি চীনা প্রেসিডেন্টের কুশপুতুল পুড়িয়েছে উত্তর দিক ভারতের কমিউনিস্ট দলগুলি । এই প্রশ্ন এবার ভারতের আপামর জনগণ কমিউনিস্টদের করবে । উত্তর দেওয়ার জন্য কমিউনিস্ট দলগুলি প্রস্তুত থাকুক । এর আগে ভারত-চীন যুদ্ধে ভারতের কমিউনিস্ট দলগুলি চীনের পক্ষ নিয়েছিল । তখনই তারা প্রমাণ করে দিয়েছিল তারা দেশদ্রোহী আর এখন প্রমাণ করে দিচ্ছে তারা মানবসভ্যতা বিরোধী । চীন বরাবরই ভারতের বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালিয়ে গিয়েছে , ভারতের চিরশত্রু পাকিস্তানকেও বিভিন্নভাবে মদত দিয়ে গিয়েছে সবকিছুতেই নীরব থেকেছে ভারতের কমিউনিস্ট দলগুলি । করোনার মত মহামারীতে ইতালির যে অবস্থা হয়েছে ভারতেরও যদি একই অবস্থা হতো ( যদিও হবেনা ভারতবাসী আটকে দেবে ) এদেশের কমিউনিস্ট সর্মথকরা কি পার পেয়ে যেত , তাদেরকে কি চীন করোনার টিকা আগেই দিয়ে রেখেছিল ?
Wednesday, 25 March 2020
লকডাউন আইন মানবিকভাবে প্রযোজ্য হোক ।
ভারত নিউজ : লকডাউন আইন মানবিকভাবে প্রযোজ্য হোক । করোনা ভাইরাসকে আটকাতে লকডাউন খুব দরকার ছিল এবং এজন্য জমায়েত ভাঙাটা দরকার । তবে , অনেক জায়গা দেখা যাচ্ছে একা একা বা দুজন যাচ্ছে সেখানেও পুলিশ লাঠিচার্জ করছে । হয়তো কেউ নিত্য প্রয়োজনীয় খাবার কিনতে যাচ্ছে , এরকম বিষয়গুলিকে পুলিশ প্রশাসন মানবিকভাবে দেখুক । কোথাও দোকানে ভিড় থাকলে মানুষ যাতে দূরত্ব সহকারে দাঁড়ায় পুলিশ সেগুলো দেখুক । পুলিশ বিশেষভাবে জোর দিক চায়ের দোকানের আড্ডা , সন্ধ্যাবেলার তাসের আড্ডা এগুলোতে । ওষুধ আনতে গেলে প্রেসক্রিপশন দেখানোর সুযোগ দেওয়া হোক । উল্লেখ্য , অত্যাবশ্যক খাদ্য , ওষুধ এগুলো ছাড় দেওয়া হয়েছে ।
Tuesday, 24 March 2020
করোনা সংক্রান্ত ফ্রি পরামর্শ পাওয়ার জন্য ডাক্তারবাবুদের নম্বর ।
These doctors you can consult for free on phone
For telephonic guidance on COVID-19 from 8 am to 12 noon -
Dr Tushar Shah. 9321469911
Dr M Bhatt. 9320407074
Dr D Doshi. 9820237951
Dr D Rathod. 8879148679
Dr R Gwalani. 8779835257
Dr D Kansara. 8369846412
For telephonic guidance on Covid-19 from 12 to 4 pm -
Dr G Kamath. 9136575405
Dr S Manglik. 9820222384
Dr J Jain. 7021092685
Dr A Thakkar. 9321470745
Dr L Bhagat. 9820732570
Dr N Shah. 9821140656
Dr S Phanse. 8779328220
Dr J Shah. 9869031354
For telephonic guidance on Covid-19 from 4 to 8 pm -
Dr N Zaveri. 9321489748
Dr S Ansari. 7045720278
Dr L Kedia. 9321470560
Dr B Shukla. 9321489060
Dr S Halwai. 9867379346
Dr M Kotian. 8928650290
For telephonic guidance on Covid-19 from 8 to 11 pm -
Dr N Kumar. 8104605550
Dr P Bhargav. 9833887603
Dr R Chauhan. 9892135010
Dr B Kharat. 9969471815
Dr S Dhulekar. 9892139027
Dr S Pandit. 9422473277
স্বাস্হ্য পেশার সাথে যুক্ত কর্মীদের কেউ ভাড়া বাড়ি ছাড়তে বলবেননা ।
ভারত নিউজ : ভারত নিউজের পক্ষ থেকে সকলকে আবেদন স্বাস্হ্য পেশার সাথে যুক্ত কর্মীদের কেউ ভাড়া বাড়ি ছাড়তে বলবেননা । তাঁরা যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করেছেন ও সুরক্ষিত রেখেছেন । তাঁরা না থাকলে এই মহামারি আটকানো যাবেনা । তারা আপনার বাড়িতে ভাড়া নিয়ে থাকলে তাদের সঙ্গে কো - অপারেশান করুন ।
বাড়ির পরিচারিকাদের ছুটি দিয়ে নিজের কাজ নিজে করুন । নিজেকে ও দেশকে বাঁচান ।
ভারত নিউজ : আপাততঃ বাড়িতে নিজের কাজ নিজে করুন , পরিচারিকাদের ছুটি দিন । কিন্তু , এখনও অনেকে বাড়ির পরিচারিকাদের ছুটি দেননি । তাদের দিয়ে কাজ করাচ্ছেন । সরকার প্রাইভেট সেক্টর , অসংগঠিত ক্ষেত্র ছুটি দিতে বলেছিল তাদের কাজ ও বেতন সুরক্ষিত রেখে । বাড়ির পরিচারিকাদের অনেকে সবেতন ছুটি দিয়ে দিলেও অনেকেই এখনও তাদের দিয়ে কাজ করাচ্ছেন । এর পরিণতি হবে মারাত্মক । অধিকাংশ ক্ষেত্রে বাড়ির পরিচারিকারা একাধিক বাড়িতে কাজ করেন যা করোনা ভাইরাস ছড়ানোর জন্য আদর্শ উপকরণ । তাদেরকে তো বাড়ি থেকে রাস্তায় আসতে হচ্ছেই সেইসঙ্গে এর ঘর ওর ঘর হয়ে ভাইরাস ছড়ানোর উপযুক্ত বাহক হয়ে কাজ করছে । হতেই পারে রাস্তায় তার মুখে ভাইরাস প্রবেশ করলো বা সে আক্রান্ত কারোর ঘরে গিয়ে ভাইরাসের বাহক হলো তারপর আপনার ঘরে করোনাকে অতিথি করে নিয়ে এলো । সঙ্গে সঙ্গে আপনিতো বুঝতে পারবেননা তাই ওদের কাজ থেকে আপাততঃ সবেতন ছুটি দিন । ওদের নিরাপদ রাখুন, নিজেকে নিরাপদ রাখুন, দেশকে নিরাপদ রাখুন । নিজের কাজ নিজে করুন কয়েকদিন । যারা একান্ত শারীরিকভাবে অক্ষম তাদের ব্যাপারটা ব্যতিক্রমী । যাদের বাড়িতেই কাজের মেয়ে সবসময় থাকে তারা রাখতে পারেন তবে তাদের বলুন এখন বাড়িতে যাওয়া যাবেনা বা বাড়ির লোকের দেখা করতে আসা যাবেনা ।
Monday, 23 March 2020
লকডাউনের আওতায় পাঁশকুড়া ও এগরা পুরসভা ।
ভারত নিউজ : অবশেষে, পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া ও এগরা পুরসভাকে লক ডাউনের আওতায় নিয়ে আসা হল । প্রথম বিজ্ঞপ্তিতে এই দুই পুরসভায় লক ডাউন না থাকায় অনেকেই বিধিনিষেধ মানছিলনা । প্রশাসনও কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারছিলনা । পাঁশকুড়ার নাগরিকেরা অনেকেই পাঁশকুড়াকে মহামারি থেকে বাঁচাতে লক ডাউন চেয়েছিলেন । ভারত নিউজও প্রশাসনের কাছে বার্তা পাঠিয়েছিল । সরকার সিদ্ধান্ত নেয় আজ দুপুর দুটো থেকে লক ডাউন করা হবে । জেলা প্রশাসন এই মর্মে অর্ডার জারি করেছে ।
এভাবেই ফেলা দেওয়া হচ্ছে অবিক্রীত ফুল ।
ভারত নিউজ : ফুলের শহর পাঁশকুড়ায় এভাবেই ফেলে দেওয়া হচ্ছে অবিক্রীত ফুল । সবের মূলে একটাই কারণ করোনা । বাজার বন্ধ, যোগাযোগ বন্ধ তাই বেচাকেনাও বন্ধ । লক্ষ লক্ষ টাকার ফুল ফেলে দেওয়া ছাড়া কোনও উপায় নেই পাঁশকুড়ার ফুল চাষীদের কাছে ।
পাঁশকুড়া লক ডাউন হোক চাইছেন অনেকেই ।
ভারত নিউজ : পাঁশকুড়া পুরসভায় লক ডাউন হয়নি । সচেতন নাগরিকেরা আইন হোক নাহোক দায়িত্বশীল নাগরিকের ভূমিকা পালন করছেন । কিন্তু এক শ্রেণীর নাগরিক হয় বিপদ বুঝতে পারছেননা নাহয় ডোন্ট কেয়ার মনোভাব দেখাচ্ছেন । লক ডাউন না থাকায় প্রশাসন বলপ্রয়োগ করতে পারছেননা । চায়ের দোকানে কেউ ভিড় করছেন , কেউ রাস্তাঘাটে গায়ে গায়ে যাচ্ছেন । এমনকি, পি ডব্লিউ ডি মাঠেও অনেকে খেলার অনুশীলন করছেন । তাদের এইসমস্ত কাজকারবারে অনেকেই হতবাক । তাই, অনেকেই বলছেন পাঁশকুড়াকে মড়ক আর মহামারি থেকে রক্ষা করতে লক ডাউন করা হোক । তারজন্য সাময়িক সমস্যা হলেও সেটা তাঁরা মেনে নেবেন । পাঁশকুড়ার বিশিষ্ট্য আবৃত্তিকার সৌরেন চট্টোপাধ্যায় ফেসবুকে লক ডাউনের কথা বলেছেন । সমাজকর্মী অঞ্জন মন্ডল মাঠে খেলার অনুশীলন চলতে দেখে উষ্মা প্রকাশ করেছেন । পাঁশকুড়ার নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসকরা কড়া হাতে মোকাবিলা না করলে পরিস্হিতি সংকটজনক হতে পারে । আসলে, একশ্রেণীর মানুষ কঠোর আইন ছাড়া নিয়ম মেনে চলতে চায়না ।
Subscribe to:
Posts (Atom)
বাংলায় এই প্রথম করোনা মোকাবিলায় বসানো হল স্যানিটাইজেসন টানেল ।
কলকাতা পুরসংস্থার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের তরফে এই প্রথম শহরে এক সাথে বসানো হল দুটি স্যানিটাইজেসন টানেল ,পাটুলি ও রামগড় বাজারে।এই টানেলে প্রবেশ ...
-
ভারত নিউজ : লকডাউনে সমস্যায় বাংলার কীর্তন শিল্পীরা । বাংলার বহু নারী-পুরুষ এই পেশার সাথে যুক্ত আছেন । তারা কিছুটা পেশাগতভাবে এবং বেশিরভাগট...